নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুর এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ গ্যাস-সংযোগ সিন্ডিকেট চক্রের প্রধান গ্যাস চোর ফারুক। তিতাস কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এ সিন্ডিকেটের ফারুক অবৈধ গ্যাস-সংযোগ দিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
সরকারিভাবে গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও কুতুবপুরের দেলপাড়া,চিতাশাল,শাহীবাজার,বউ বাজারসহ আশপাশ এলাকায় জ্বলছে অবৈধ গ্যাসের চুলা। নতুন সংযোগ বন্ধ থাকার পরও তিতাস কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পূর্বের ডিমান্ডনোট পাস কথা বলে কেউ বৈধ সংযোগ নিলেও অধিকাংশই অবৈধ। তাছাড়া বৈধভাবে যত চুলা রয়েছে অবৈধর সংখ্যা তার চেয়ে কয়েকগুণ। এসব অবৈধ চুলার বিল নিচ্ছেন সিন্ডিকেটের সদস্যর মূলহোতা গ্যাস চোর ফারুক। মাঝেমধ্যে তিতাসের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেও রাতের আঁধারে ফারুক আবার সংযোগ দিয়ে দেয়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ফতুল্লা জোনের সুবিধাভোগী একশ্রেণির কিছু কর্মকর্তা, ফারুকের মাধ্যমে এলাকায় অবৈধ গ্যাস-সংযোগ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি অবৈধ চুলার বিল নিচ্ছে তারা। কুতুবপুর এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগসহ বৈধ চুলার সাথে অন্তত কয়েক হাজার চুলা জ্বলছে অবৈধভাবে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক কয়েক জন জানান, ফারুকের মাধ্যমে গ্যাস-সংযোগ নিয়ে তার কাছে বিল পরিশোধ করতে হয়। অন্যথায় তিতাসের লোকজন এনে অভিযান চালিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে তারা সিন্ডিকেটের সঙ্গে সমঝোতা করে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে। গ্যাস সরকারি হলেও স্থানীয় সিন্ডিকেট বিল নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ফতুল্লা জোনের এক জন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিন্ডিকেট করে অবৈধ গ্যাস-সংযোগ দিয়ে বিল নেওয়ার সত্যতা শিকার করে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছেন। এবং অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন। কিন্তু অভিযান চালিয়ে চলে যাওয়ার পর সিন্ডিকেটের লোকেরা আবার সংযোগ দিয়ে দেয়। সচেতন মহলের দাবী নারায়ণগঞ্জ তিতাসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) কুতুবপুরে এলাকায় এসে প্রতিটি বাসাবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বধৈ গ্যাস সংযোগের সাথে অবৈধ চুলা সহ অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো সহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হলে নতুন করে আর কেউ অবৈধ সংযোগ নিবে না।
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.
Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.