হোম | আন্তর্জাতিক
  • বিস্তারিত খবর

নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে ইরানের মিসাইল হামলা

/ ১ মাস আগে
নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে ইরানের মিসাইল হামলা
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থা এবং ভাগ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের ১০ম দফার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর কার্যালয় সরাসরি এবং ভয়াবহভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। তবে এনিয়ে ইসরাইলের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া বা বক্তব্য দেয়া হয়নি।ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানের আইআরজিসি জনসংযোগ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত এই ঝটিকা অভিযানে 'খায়বার' নামক অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান- ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও বিমান বাহিনীর কমান্ডারের বাসভবন।বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়েছে, লক্ষ্যবস্তুগুলোতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানা সম্ভব হয়েছে এবং সেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর থেকে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান বা শারীরিক অবস্থা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় এক রহস্যময় ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

গত শনিবার ইরান ভূখণ্ডে মার্কিন-ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় তেহরান এই পাল্টা প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করে। সোমবার পর্যন্ত ইরান দশ দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু ইসরাইলি মূল ভূখণ্ড নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোও।

দশম দফার এই ক্ষেপণাস্ত্র তরঙ্গটি ছিল পূর্ববর্তী হামলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট এবং বিধ্বংসী। বিশেষ করে খায়বার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় টার্গেট করার বিষয়টি যুদ্ধকে এক নতুন এবং অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ মোড়ে নিয়ে গেছে। অধিকৃত এলাকাগুলোতে বর্তমানে উচ্চ সতর্কতা জারি রয়েছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো ক্রমবর্ধমান আক্রমণ মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে।ইসরাইলি সূত্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।

3 Comments:

  1. Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.

    1. Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.

    Lorem Ipsum has been the industry’s standard dummy text ever since the 1500s, when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked